GHURE DEKHA / TRAVEL JOURNAL
বাংলাদেশ থেকে, ভালোবাসায়পাহাড়, সমুদ্র, বন আর ইতিহাস — ৩৮টি বাছাই করা গন্তব্য, কখন যাবেন আর কী মনে রাখবেন সহ।


বনঢেউখেলানো টিলায় সারি সারি চা-গাছ, ভোরের কুয়াশা আর সাত রঙের চায়ের কাপ — চায়ের রাজধানীতে সময় ধীরে চলে।


বনঘন রেইনফরেস্টের ভেতর দিয়ে রেললাইন, মাথার ওপর উল্লুকের ডাক — হাঁটার জন্য দেশের অন্যতম সুন্দর বনপথ।


জলাভূমিবর্ষায় গাছের অর্ধেক ডুবে থাকে পানিতে; নৌকা নিয়ে সবুজ সুড়ঙ্গের ভেতর ভেসে চলার অভিজ্ঞতা একেবারেই আলাদা।


পাহাড়মেঘালয়ের পাহাড় থেকে নেমে আসা পিয়াইন নদীর স্বচ্ছ জল আর নুড়িপাথরের তীর।

পাহাড়প্রায় ৬০ মিটার উঁচু থেকে নামা দেশের পরিচিত জলপ্রপাত; পাশেই খাসিয়া পান-পুঞ্জি।


দিগন্তছোঁয়া জলরাশি, পেছনে মেঘালয়ের নীল পাহাড় — হাউসবোটে এক রাত কাটানো এখানকার আসল মজা।


সমুদ্রদীর্ঘ বালুকাবেলায় সূর্যাস্ত, মেরিন ড্রাইভ ধরে হিমছড়ি-ইনানী পর্যন্ত পাহাড় আর সমুদ্র পাশাপাশি।


দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ — নীল পানি, নারকেল গাছ আর ছেঁড়াদ্বীপের পাথুরে সৈকত।


পাহাড়পায়ের নিচে মেঘের সমুদ্র; কংলাক পাহাড় থেকে সূর্যোদয় দেখা জীবনের মনে রাখার মতো মুহূর্ত।


জলাভূমিপাহাড়ঘেরা বিশাল কৃত্রিম হ্রদে নৌকায় ঘুরে ঝুলন্ত সেতু, শুভলং ঝরনা আর আদিবাসী বাজার।


বনজোয়ার-ভাটায় বাঁচা পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ — হরিণ, কুমির, অসংখ্য পাখি আর বাঘের পায়ের ছাপ।

ইতিহাসখান জাহান আলীর আমলের পোড়ামাটির স্থাপত্য, ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ।

সমুদ্রএকই সৈকত থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দুটোই দেখা যায় — দক্ষিণের শান্ত সাগরকন্যা।


বনকেওড়া বনে দল বেঁধে চিত্রা হরিণ, চারপাশে নীরব চর আর অতিথি পাখি।

ইতিহাসঅসমাপ্ত মুঘল দুর্গ, পরীবিবির সমাধি আর বাগান — পুরান ঢাকার ইতিহাসে এক বিকেল।


ইতিহাসবুড়িগঙ্গার তীরে গোলাপি প্রাসাদ, ঢাকার নবাবদের জীবনের জাদুঘর।


ইতিহাসদু’পাশে শতবর্ষী বণিকদের দালান — সোনারগাঁয়ের হারানো শহরের রাস্তায় হাঁটা যেন সময়ভ্রমণ।


ইতিহাসপাল আমলের বিশাল বৌদ্ধ বিহার, ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য; দেয়ালের পোড়ামাটির ফলক মুগ্ধ করে।

ইতিহাসদিঘির পাড়ে শিব, গোবিন্দ ও জগন্নাথ মন্দির — টেরাকোটা অলংকরণের খোলা জাদুঘর।


ইতিহাসপ্রাচীন পুণ্ড্রনগরের ধ্বংসাবশেষ — দেশের সবচেয়ে পুরোনো নগরের চিহ্ন।

ইতিহাসপ্রতিটি ইঞ্চিতে পোড়ামাটির গল্প — রামায়ণ-মহাভারতের দৃশ্য খোদাই করা নবরত্ন মন্দির।


পাহাড়মেঘের সমান উঁচুতে দাঁড়িয়ে চারপাশের পাহাড়ের ঢেউ দেখা — বান্দরবানের সবচেয়ে জনপ্রিয় চূড়া।


পাহাড়রেমাক্রি নদীর পুরো স্রোত একসাথে ঝাঁপিয়ে পড়ে চওড়া ধাপে — দুর্গম পথ পেরিয়ে পাওয়া বুনো জলপ্রপাত।


পাহাড়পাহাড়ের চূড়ার কাছে গোল, গভীর নীল হ্রদ; চারপাশে বম জনগোষ্ঠীর ছোট্ট গ্রাম।


পাহাড়পাথরের বিছানার ওপর দিয়ে বয়ে চলা ঠান্ডা স্বচ্ছ জল, পেছনে মেঘালয়ের সবুজ পাহাড়ের দেয়াল।


জলাভূমিসারি নদীর পান্না-সবুজ জল; নৌকায় চা-বাগান আর পাহাড়ের পাশ দিয়ে ধীরে ভেসে যাওয়া।


সমুদ্রপ্রবাল-পাথর ছড়ানো শান্ত সৈকত, ভিড় কম; মেরিন ড্রাইভ ধরে যাওয়ার পথটাও দারুণ।


জলাভূমিকাপ্তাই হ্রদের ওপর দোলানো লাল সেতু — রাঙামাটির পরিচিত ছবি, নৌভ্রমণের শুরুও এখান থেকে।


পাহাড়সীতাকুণ্ডের সবচেয়ে উঁচু চূড়ায় পুরোনো মন্দির, আর ওপরে উঠলে একদিকে সাগর অন্যদিকে সবুজ পাহাড়ের সারি।


পাহাড়মিরসরাইয়ের ঝিরিপথ ধরে ঘণ্টাখানেক হাঁটলে ধাপে ধাপে নেমে আসা বহুস্তরের এক ঝর্ণা।


সমুদ্রকর্ণফুলীর মোহনায় জাহাজের সারি আর সূর্যাস্ত — শহরের গা ঘেঁষে বিকেল কাটানোর জায়গা।


সমুদ্রএকপাশে পাহাড়, অন্যপাশে সমুদ্র; মেরিন ড্রাইভের পথে টিলার চূড়া থেকে দিগন্তজোড়া নীল।


ইতিহাসলালমাই পাহাড়ের কোলে শালবন বিহারের ইটের ধ্বংসাবশেষ আর জাদুঘর — দেব-চন্দ্র যুগের নীরব সাক্ষী।


সাদা মার্বেলের সিঁড়ি আর গম্বুজওয়ালা প্রাসাদ, ভেতরে আঞ্চলিক জাদুঘর।


জলাভূমিশত শত বছর আগে খনন করা বিশাল দিঘি, পাড়ে ছায়াঘেরা উদ্যান আর শীতে পরিযায়ী পাখি।


বনঢাকার কাছে শালবনের ছায়ায় পিকনিক, লেক আর হাঁটার পথ — একদিনের ছোট বিরতি।


জলাভূমিদেশের অন্যতম বড় হাওর; শীতে হাজারো পরিযায়ী পাখি, বর্ষায় দিগন্তজোড়া জল।


পাহাড়সোমেশ্বরী নদীর স্বচ্ছ জল, চীনামাটির টিলা আর নীলচে সবুজ জলের লেক।
ছবিগুলো Wikimedia Commons থেকে, প্রতিটির নিচে আলোকচিত্রীর নাম ও লাইসেন্স দেওয়া আছে। দুর্গম এলাকায় যাওয়ার আগে সরকারি নির্দেশনা ও সর্বশেষ তথ্য যাচাই করুন।